স্বাধীনতার পঞ্চাশবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশ জুড়ে আয়োজিত হয়েছিল অগণিত আনন্দ অনুষ্ঠান। তখন কারও মনেও পড়েনি স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যখন তাঁর সুবিখ্যাত ট্রাইস্ট উইথ ডেসটিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন ঠিক সেই সময়ে কত সংখ্যাতীত সর্বহারা স্বজনহারা মানুষ পূর্ববাংলা থেকে শুধু প্রাণ আর আব্রু বাঁচাবার তাগিদে রাতের অন্ধকারে দিশাহীন চোখে তিমিরবিনাশী আলোর প্রত্যাশায় পাড়ি দিতে বাধ্য হয়েছিল অচেনার অন্বেষণে। একই সঙ্গে পিতা ও স্বামীহারা প্রণতি চৌধুরিও মাকে নিয়ে আশ্রয় খুঁজতে অপরিচিত অজানা ত্রিপুরায় এসে স্থিতু হতে চেয়েছিল। তখনও জানত না তার আট দিনের স্বামী দেহের গোপন কুঠুরিতে নিষুপ্ত রেখে গেছেন আপন অস্তিত্বের বীজ। উদার সহায়তার আশ্বাস নিয়ে এগিয়ে এসেছিল স্বাধীনতাসংগ্রামী
লক্ষ করুন
‘শ্যাওলা-শোভিত পাঁচিলের ধার ঘেঁষে/ হলদে পাখিটা স্বপ্নে উঠল ডেকে।/ তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলাম স্নেহে
রূপকথা উপন্যাসের চরিত্ররা তেমনই এক বার্তা দেয়। তখন জীবন রূপকথার ভাষায় কথা বলে
সত্যজিৎ রায়ের সম্পূর্ণ সৃষ্টি আলোচিত হয়েছে দু-খণ্ডে প্রকাশিতব্য এই মহা-গ্রন্থে। পথের পাঁচালি থেকে চারুলতা পর্যন্ত ছবিগুলির পর্যালোচনা থাকছে প্রথম খণ্ডটিতে। দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে সত্যজিৎ রায়ের বাকি ছবিগুলির পর্যালোচনা। সত্যজিতের ছবিতে নিরন্তর প্রতিফলিত হয়েছে সমাজ
ঝুমকোলতা মনের কথা কৃষ্ণ ধর স্বাধীনতার পঞ্চাশবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশJhumkolata Maner Katha : : 80 , , , , , , , , , ! , (cm) : 14. 5 (l) X 22 (b) X 1. 3 (h)