যার অভিঘাত তাঁকে আত্ম-আবিষ্কারে প্রাণিত করে। ‘হেমন্তের অন্নপূর্ণা’য় এই মানস-অভিযাত্রা ক্রমশই পূর্ণতার দিকে এগোতে থাকে। কবিতা যেন তার অন্তর্লীন সঙ্গী। হেমন্তের চিরকালীন বিষাদ পেরিয়ে পাঠক অনুভব করেন নবান্নের সুপক্ক ঘ্রাণ। ঋতুমতী প্রকৃতি যেন বীজ ধারণের প্রতীক্ষায় অধীর। হৃদয়ে আত্মময় বিষাদ অথচ পাশাপাশি বিরাজ করে এক আত্মমগ্ন পূর্ণতা। গ্রন্থের কবিতাগুলি যেন কুয়াশার গায়ে লেখা খুদকুঁড়োর দিনলিপি। যে দিনলিপির বর্ণসমূহের অনুভবে পাঠক জারিত হন। খুঁজে পান বহুস্বরের মাঝে এক স্বতন্ত্র ভাষ্য। ‘হেমন্তের অন্নপূর্ণা’য় কবি তাঁর ব্যক্তি-অনুভবের ভাণ্ডার যেন উপুড় করে দেন।
রীতিবদ্ধ সনেট থেকে নিরেট গদ্যকবিতা—সব কবিতাক্ষেত্রেই তাঁর স্বচ্ছন্দ পদভারে বাংলা কবিতার জমি লাভ করেছে কোমল পলি। উচ্চকণ্ঠ কবি তিনি নন
যা দিয়ে অনায়াসে জয় করা যায় কবিতার সুবিস্তৃত ভূ-ভাগ। তসলিমা
গোটা পরিবেশ-প্রেক্ষিতের অন্তর্নিহিত লজিককে
কেন কোম্পানি থিয়েটার আদতে অচল আধুলি
নির্বাচিত কবিতা দেবপ্রিয়া চট্টোপাধ্যায় যার অভিঘাত তাঁকে আত্ম-আবিষ্কারে প্রাণিতNirbachito Kobita : : 114 , , , , , , , , (cm) : 14. 5 (l) X 21. 8 (b) X 1. 3 (h)