তিনি মনে করেন কবিতা লিখতে চাইলেই লেখা যায় না। একটা কবিতা রচনার পেছনে থাকে অনেক চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা। প্রথম থেকেই এই কবি নিঁখুতভাবে সচেষ্ট ছিলেন তার একটা নিজস্ব ভাষা বা গঠন শৈলী নির্মাণে। হয়তো সে জন্যেই অনেক কবিতার ভিড়েও নীরদ রায়ের কবিতাকে চেনা যায় পরিষ্কার ভাবে। দুঃখ যন্ত্রণা ও আনন্দের পাশে সব সময় রাখতে চান রবীন্দ্রনাথকে। তাই তিনি লেখেন— ক্যালেন্ডারের ছেঁড়া পাতায় অর্ধেকটা রবীন্দ্রনাথ ছাড়া আর কেউ জীবিত নেই–'
মানুষ ও প্রকৃতির যাবতীয় বিষয় তাঁর অনুভবে চারিয়ে যায়। রক্তের মধ্যে কলম ডুবিয়ে এক গূঢ় অনুভূতির ধারাবিবরণী লিখে যান পাতার পর পাতা। প্রকাশরীতির অননুকরণীয় ভঙ্গির জন্য তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। তাঁর কাব্যভাব
রফিক উল ইসলাম এমন একজন কবি যিনি প্রবল আবেগ ও ভয়ংকর আগুনকে নিজের ভিতরে শান্তভাবে ধারণ করে মানুষের ভিড়ে মিশে থাকতে পারেন। কিন্তু যখনই কবিতা নিয়ে মঞ্চে উঠে আসেন
পৃষ্ঠা : 360
সেই সচেতনতা আধুনিকার নতুন কাব্যগ্রন্থে
সিনেঅলা (চতুর্থ খণ্ড) শামসুর রাহমান তিনি মনে করেন কবিতা লিখতেCinewala 4 : : 272 , , (), (), (), (), (), ( ), (), (), (), () , , , : 21. 8 (h) 14. 3 (w) 2. 5 (d)